মূল অংশে যান
ঢাকা৫ নভেম্বর ২০২৬ঢাকা ২৪°মাগরিব ১৭:১৭ই-পেপার
সত্য প্রকাশে আপসহীন
আজকের বার্তা

আজকের বার্তা

আমাদের সম্পর্কে

সত্য প্রকাশে আপসহীন

«আজকের বার্তা» বাংলা ভাষার একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম। আমাদের কাজ একটাই — দিনের খবর দ্রুত, যাচাই করে, সহজ বাংলায় পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

সম্পাদনা ও প্রকাশনা

সম্পাদক

মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম

ব্যাবস্থাপনা ও নির্বাহী সম্পাদক

মোঃ এরশাদ বিন মজিদ

প্রকাশনা সম্পাদক

মাহমুদুর রহমান রিয়াদ

«সম্পাদক ও প্রকাশক» হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম এবং নিবন্ধন নম্বর নিশ্চিত হওয়ার পর এই পাতায় ও সাইটের ফুটারে যুক্ত করা হবে। নিশ্চিত হওয়ার আগে আমরা এই পদে কারও নাম লিখছি না।

আমরা কারা

আমরা মানি, খবর কত আগে এল তার চেয়ে বড় প্রশ্ন খবরটা ঠিক কি না। পাঠকের জানার অধিকার আছে — কে লিখেছেন, কখন প্রকাশ হয়েছে, আর প্রকাশের পর সেই খবরে হাত পড়েছে কি না। আমাদের প্রতিটি খবরের সঙ্গে এই তিনটি হিসাব খোলা থাকে।

এই পাতায় লিখে রাখা হলো — কোন নিয়মগুলো আমরা মেনে চলি, কে কোন দায়িত্বে আছেন, আর কোনো খবরে ভুল পেলে আপনি কী করতে পারেন।

দ্রুত, নির্ভরযোগ্য, বাংলায়। প্রতিটি খবরের পেছনে নাম, সময় আর সম্পাদনার হিসাব।

আমরা যে কয়টি কথা মেনে চলি

খবরের পেছনে নাম থাকে।

প্রতিটি প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নাম ও পদবি থাকে, আর নামের সঙ্গে থাকে তাঁর নিজের পাতার লিংক — সেখানে তাঁর পরিচয় এবং আগের লেখাগুলো একসঙ্গে পাওয়া যায়। কোনো সংবাদ সংস্থা বা অন্য সূত্র থেকে নেওয়া খবরে সূত্রের নাম আলাদা করে উল্লেখ করা হয়।

সময় লুকানো হয় না।

প্রতিটি খবরের সঙ্গে প্রকাশের তারিখ ও সময় থাকে — বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, ঘণ্টা-মিনিট ধরে। প্রকাশের পর তথ্যগত পরিবর্তন হলে «হালনাগাদ» সময়ও দেখানো হয়। শুধু বানান বা বাক্য ঠিক করা হলে তা হালনাগাদ হিসেবে দেখানো হয় না — ছোট-বড় সব পরিবর্তনে হালনাগাদের ছাপ বসালে চিহ্নটির আর কোনো মানে থাকে না।

ভুল মুছে ফেলা হয় না, লিখে জানানো হয়।

কোনো খবরে তথ্যগত ভুল ধরা পড়লে আমরা তা সংশোধন করি এবং সেই খবরের নিচেই তারিখ দিয়ে সংশোধনীটি প্রকাশ করি। পুরোনো ভুল নিঃশব্দে সরিয়ে দেওয়া আমাদের পদ্ধতি নয়।

ছবির সঙ্গে ক্যাপশন ও সূত্র থাকে।

ছবিটি কী দেখাচ্ছে, আর কার তোলা বা কোথা থেকে নেওয়া — তা উল্লেখ না করে আমরা কোনো ছবি প্রকাশ করি না।

বিজ্ঞাপন আর সম্পাদনা আলাদা।

কোনো লেখা স্পনসর করা হলে পাঠক যেন প্রথম দেখাতেই তা বুঝতে পারেন, সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোন খবর যাবে আর কীভাবে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত বার্তাকক্ষের — বিজ্ঞাপনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রতিটি সম্পাদনার হিসাব থাকে।

কে কখন কী পরিবর্তন করেছেন, তার রেকর্ড আমাদের ব্যবস্থায় জমা থাকে এবং মুছে ফেলা যায় না। এটি পাঠকের দেখার জন্য নয়, নিজেদের জবাবদিহির জন্য।

ভুল ধরা পড়লে

কোনো খবরে ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান। প্রতিটি প্রতিবেদনের নিচে «ভুল সংশোধনের অনুরোধ করুন» লেখা একটি লিংক আছে — কোন অনুচ্ছেদে কী ভুল মনে হচ্ছে, সেখানে লিখে পাঠিয়ে দিন। অনুরোধটি সরাসরি বার্তাকক্ষের সংশোধনী তালিকায় যায়।

ফর্মে নাম চাওয়া হয় না, ইমেইল দেওয়াও ঐচ্ছিক। ভুল ধরিয়ে দিতে গিয়ে পাঠককে নিজের পরিচয় দিতে হবে — এটি আমরা ঠিক মনে করি না। ইমেইল দিলে তা কেবল প্রয়োজনে আপনার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়।

যাচাইয়ের পর তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে খবরটি সংশোধন করা হয়, এবং সেই খবরের নিচে তারিখসহ সংশোধনী প্রকাশ করা হয়। অনুরোধটি ভুলের বদলে মতের বা বোঝার পার্থক্য হলে আমরা সংশোধনী ছাপাই না — তাতে সংশোধনীর ঘর ভরে যায়, আর যেগুলো সত্যিই জরুরি সেগুলো চোখেই পড়ে না।

লিংকটি কাজ না করলে সরাসরি ইমেইল করুন — info@ajkerbarta.com।