স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কাজ শেষ হলে যাতায়াতে সময় ও ব্যয় দুটোই কমবে। তবে নির্মাণকাজ চলার সময় বিকল্প ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী অর্থবছরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বরাদ্দ পাওয়ার ওপর সময়সূচি অনেকাংশে নির্ভর করছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ গোছানো সম্ভব।
কাজের মান তদারকির জন্য আলাদা একটি কমিটি গঠনের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রতি মাসে অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে।







মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনার হতে পারে।