মূল অংশে যান
ঢাকা৫ নভেম্বর ২০২৬ঢাকা ২৬°মাগরিব ১৭:১৭ই-পেপার
সত্য প্রকাশে আপসহীন
আজকের বার্তা
সারাদেশ

উল্লাপাড়ায় হানিট্রেপের ফাদে প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান

হাফিজুলছবি: আজকের বার্তা

উল্লাপাড়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: হানিট্র্যাপের অভিযোগে তোলপাড়, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

আজকের বার্তা | উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলাকে ঘিরে নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার বাদী বেলকুচি উপজেলার দক্ষিণ বানিয়াগাতী গ্রামের শারমিন আক্তার শীলা ওরফে শিউলি আক্তার শীলা (৩৩) কে ঘিরে হানিট্র্যাপ চক্রের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটি দায়ের করেন শীলা। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্বামীর সাথে খালুর বাসায় ভাড়া থাকার সুবাদে হাফিজুর রহমানের সাথে পরিচয় হয়। পরে পারিবারিক কলহের সুযোগ নিয়ে তাকে তালগাছী বাসস্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে বিয়ের প্রলোভন ও সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।

স্থানীয়দের পাল্টা অভিযোগ - হানিট্র্যাপ!

তবে ঘটনা প্রকাশের পর থেকেই দুর্গানগর ও বেলকুচি এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি:

> "এটি একটি পরিকল্পিত হানিট্র্যাপ। টাকা না পেয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দেওয়া হয়েছে। এই মহিলা চক্রটির সাথে আরো কারা কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হোক।"

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী আজকের বার্তাকে বলেন, শারমিন আক্তার শীলার চলাফেরা ও আগের কর্মকাণ্ড রহস্যজনক। তার নামে এর আগেও এমন অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে। কে এই শীলা? তার প্রকৃত পরিচয় কি? তাকে ব্যবহার করে কারা ফায়দা লুটতে চায়?

যা বলছেন এলাকাবাসী

শারমিন আক্তার শীলাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তার মোবাইল কল রেকর্ড ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করা হোক। এই চক্রের পেছনে আরো কোনো সংঘবদ্ধ চক্র আছে কিনা, তা উদঘাটন করা হোক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। কামারখন্দ থানা ও উল্লাপাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, যেহেতু মামলাটি আদালতে হয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত হবে।

একজন মানবাধিকার কর্মী বলেন, "যদি ধর্ষণের অভিযোগ সত্য হয়, তবে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে হবে। আর যদি হানিট্র্যাপ প্রমাণিত হয়, তবে মিথ্যা মামলাকারী ও তার সহযোগীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। তদন্তেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।"

এলাকায় এখন একটাই দাবি - নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল রহস্য উদঘাটন হোক, দোষী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।

কোনো ভুল চোখে পড়েছে?

খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

মন্তব্য প্রকাশের আগে সম্পাদনা পরিষদ পর্যালোচনা করে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনার হতে পারে।

সম্পর্কিত খবর